Friday, 19 March 2021

⛔নিজেকে সাধুঁ মনে করি না❗. আর নিজে যে সাধু না একদম তা ও না❗ ⭕কিন্তু তোমরা হারাম খুঁর কিছু মৌলুবিরা যে কুকির্তি করে যাচ্ছ তার থেকে নিজে অনেক টাই ভাল তা নির্দিদায় বলা বাহুল্য। এখন এক দল উঠে পরে লেগে যাবে,যে, নিজের কর্ম দুষে যার যার পতন, তবে শুন, শিক্ষক ভাল তো ছাত্র ও ভাল হবে‼️ যাদের কারনে আজ বিপরীদ মুখি কথা বলতে হচ্ছে.....⭕ ¿ 🔴এক. তারা যে ঘটনা ঘটাচ্ছে, তাদের ইসলামি শাসনজ্ঞান নেই। তাই নিজের ইচ্ছামতো শাসনকেই সঠিক ভাবছে। মুখের ভাষা যা আসছে বলে যাচ্ছে। 🔴দুই. তারা ছাত্রদের মনস্তত্ত্ব বোঝে না। ফলে, মানসিক আঘাত কে একমাত্র সমাধান মনে করে । 🔴তিন. একজন শিক্ষকের অধীনে অনেক ছাত্র থাকায় তার মস্তিষ্কে চাপ পড়ে। আর বউ এর প্যেরাই তো পুরাই মাথা *াগল হয়ে যায়, তাই মুখে যা আসে তাই বলে। টানা ২৪ ঘণ্টা কাজ করার কারণে তাদের মেজাজ খিটখিটে থাকে। ফলে সহ্য করার ক্ষমতা কমে যায়। সামান্য অপরাধে শুরু করেন মারধর মানসিক অত্যাচার। 🔴চার. অভিভাবকদের পক্ষ থেকে সন্তানের সম্পূর্ণ দায়ভার শিক্ষকের ওপর ছেড়ে দেওয়া।’ 🔴পাচঁ. কিছু মৌলুবি তো মৌলুবিনা ওরা হচ্ছে জল দুস্যু যাদের চোখ এক টা একেক কাজে ব্যবহার হয়। এক চোখ ভাই, বাতিজা, ছেলে নাতি আর ১০/১২ বছরের পুরানো আদু ছাত্রদের জন্য আর আরেক চোখ মনের জালা মিটানোর জন্য যে বকাঝকা দরকার পরলেই ওরেই করব আর বাকিরা তো আমার বউএর বর, ওদের করা যাবে না। 🟥এর প্রতিকার হিসাবে কী করা যেতে পারে? একটা মনিটরিং সেল করতে পারে, যেন পদ্ধতির অনৈতিক লঙ্ঘন করলে জবাবদিহিতার জায়গা থাকে। এভাবে দু-এক বছর তৎপর কর্মশালা ও জবাবদিহিতা চালালে এ দুর্বলতা নব্বই শতাংশ কমে যাবে। কিন্তু না ওদের যে বিচার ব্যবস্থা তা হচ্ছে, সাধারন শিক্ষক তিনিই আবার সিনিয়র শিক্ষক আবার অল্প সময়ের মাঝে তিনি আবার বাইশপিঞ্চিবাল আর ওই একই ব্যক্তি আর পিঞ্চবাল মানে হল বাবা তোমার দরবারে সব....................🔻🔺🔻 যসি চলতে থাকে এই ভাবেই তোমাদের পতন নিশ্চিত আর উপর ওলার প্রশ্ন থেকে মুক্তি পাবে না একজন ও মৌলুবি🆘 এখন ও সময় আছে গ্রিল খাওয়া ছেড়ে ইনসাব এর ময়দানে মানবতা ধারা সাজিয়ে তুলুন🟢 দয়া করে গ্রীল খাওয়া আর পকেট এ মাল ডুকানো বন্দ করেন, এই বার থামেন

No comments:

Post a Comment

Md Mehedi Hasan

ঠকালে ঠকতে হয় তার বাস্তবতা নিজের চোখে দেখা